fbpx

Health safety and premises security delivered in one solution by ZKTeco

Face & Palm verification and body temperature detection terminal that ensures security, access control and employee’s health during these challenging times.

SpeedFace-V5L Series is a fully upgraded visible light facial recognition terminal that uses intelligent engineering coupled with state-of-the-art facial recognition algorithms and computer vision technology. It supports both facial and palm verification ensuring speed and volume for any type of organisation.

These devices incorporates a few new functions including temperature detection and masked individual identification. This helps to eliminate any hygiene-related concerns effectively. It is also equipped with anti-spoofing algorithm for facial recognition so that no one breach security using a fake photo, videos or masks. The system takes only 0.35 second for per palm detection and can store up to 3,000 palm sample data on it making it perfect for hospitals, factories, commercial buildings, public stations etc.

For details about the product, visit: www.zkteco.com.bd

কভিড-১৯ মোকাবিলায় ব্যাটারিচালিত ভেন্টিলেটর তৈরি করবে ডাইসন ও সোলশেয়ার

কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে লড়তে ডাইসনের সঙ্গে নতুন ভেন্টিলেটর তৈরি করবে টিটিপি (কেমব্রিজ টেকনোলজি হটস্পট)। এজন্য বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পার্টনারশিপও করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান সোলশেয়ার ও টিটিপি ডাইসনের সঙ্গে ১৫ হাজার ভেন্টিলেটর তৈরিতে কাজ করছে। এর ব্যান্ড নাম দ্য কোভেন্ট। এটি সহজেই বহনযোগ্য ভেন্টিলেটর যা ব্যাটারি বা সৌর বিদ্যুতেও চলবে।

টিটিপি ডাইসনের প্রকল্পটিতে ব্যাটারি শক্তি ব্যবহারের ফলে এটি সাধারণ হাসপাতালগুলোতে যেসব জরুরি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়ে, তা থেকে বেরিয়ে আসবে এবং দূরের কোনো হাসপাতালেও ব্যবহার করা যাবে অনায়াসে।

টিটিপি কতৃপক্ষ জানিয়েছে, ঢাকার এমই সোলশেয়ার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পরবর্তী প্রজন্মের সৌর শক্তি নিয়ে কাজ করছে। যৌথ উদ্যোগের লক্ষ্য সোলশেয়ার-এর সোলবক্স প্ল্যাটফর্মের পাওয়ার ভাগ করে নেওয়ার যে সম্ভাবনা সেটির সক্ষমতা অন্তত দশগুণ বৃদ্ধি করা।

একটি স্মার্ট পিয়ার টু পিয়ার মাইক্রো গ্রিড রিয়েল টাইমে যে অতিরিক্ত সৌরশক্তি উৎপাদন করে তাতে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতে অনেক অবদান রাখতে পারে। সোলশেয়ার বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এমন সৌরশক্তি উৎপাদন ও ব্যবহার করে। যা সেসব অঞ্চলে শক্তির অন্যতম উৎস হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশীদের কাছে বিক্রি করে আয়েরও সুযোগ দেয়।

উচ্চ দক্ষতার দ্বি-নির্দেশমূলক ডিসি-থেকে-ডিসি বিদ্যুৎ রূপান্তরকারীকে ডিজাইন করে টিটিপি এবং সোলশায়ারের লক্ষ্য এই ইউনিটগুলোতে বর্তমানরে ১০০ কিলোওয়াট সীমা থেকে প্রতি ইউনিট ১ কিলোওয়াট তৈরি করা। এর মানে আরও বেশি পরিমাণ ব্যবহারকারী তাদের চাহিদা মিটিয়ে ইলক্ট্রিসিটি বিক্রি করতে পারবেন এমনকি তারা উচ্চ ক্ষমতার সব অ্যাপ্লায়েন্স ব্যবহার করতেও পারবেন।

টিটিপি পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক্সের দক্ষদের নিয়ে বায়ো-ডিরেকশনাল পাওয়ার কনভার্টারের উন্নয়নে কাজ করবে। একই সঙ্গে এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনও করবে। এই সক্ষমতার মধ্যে মিটারিং, ওয়্যারলেস যোগাযোগ, নিরাপত্তা, পাওয়ার কনভার্সান এবং ইউজার ইন্টারফেইস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। টিটিপি এবং সোলশেয়ারের লক্ষ্য চলতি বসন্তেই নতুন সিস্টেমের প্রোটোটাইপ তৈরি সম্পন্ন করা।

বিশ্বব্যাপী অন্তত একশো কোটি মানুষ এখনো বিদ্যুৎ সুবিধার আওতার বাইরে আছেন। একই সঙ্গে আরও অন্তত শতকোটি মাঝে মাঝে সংযোগ সুবিধা পান। সেসব অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে সৌর প্যানেল স্থাপন করে দীর্ঘ মেয়াদী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করা যায়।

যদিও শুরুতে খরচ অনেকেই বহন করতে না পারায় মানুষজনকে এই সুবিধার বাইরে থাকতে হচ্ছে। এছাড়াও প্রতি বছর অন্তত গড়ে ১০০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের বিদ্যুৎ অপচয় হচ্ছে অব্যবস্থাপনার কারণে। সোলশেয়ারের পিয়ার-টু-পিয়ার মাইক্রো-গ্রিড এসব অতিক্রম করতে সহায়তা করেছে। সৌরবিদ্যুৎ এখানে ভিন্নভাবে ব্যবহার করা শুরু হয়েছে। যেখানে বাসাবাড়ির প্রয়োজন মিটিয়ে বাকিটা ব্যবহারকারীদের অন্যদের কাছে সরবরাহ করতে পারে।
ফলে অতিরিক্ত বিদুৎ বিক্রি করে প্রথমবারের যে খরচ সেটি উঠিয়ে ফেলতে পারেন গ্রাহকরা। এমন করে বিদ্যুতের ব্যবহার বিশেষ করে গ্রামের মানুষের জীভনযাত্রা বদলে দিচ্ছে। একই সঙ্গে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সুবিধা বাড়াচ্ছে। সোলশেয়ার দেশের ভিতর ও ভারতে ২৮ মাইক্রো-গ্রিডের সুবিধা দিয়ে এর ইনস্টলেশন করছে। এর ফলে ব্যবসাক্ষেত্রে এবং সন্তানদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ সোলশেয়ার সারাবিশ্বে ১৬০ মাইক্রো-গ্রিড তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। একত্রে কাজ করে এই সক্ষমতা আরও বাড়াতে চায় টিটিপি এবং সোলশেয়ার। ভবিষ্যতে দুই প্রতিষ্ঠান মিলে টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন করতে চায়।

টিটিপির ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনোলজির প্রধান ড. ডেভিড স্মিথ বলেন, এই প্রকল্পে যুক্ত হতে পেরে আমরা গর্বিত। এর মাধ্যমে বিশ্বের অনেক মানুষের জীবনযাত্রা বদলে দেওয়া সম্ভব। বিশেষ করে দারিদ্র্য জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এটি বেশি কার্যকরী হবে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রযুক্তি কতটা কার্যকরী হতে পারে এই প্রকল্প তার একটি উদাহরণ মাত্র।

বিশ্বজুড়ে কমছে বায়ুদূষণের মাত্রা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ায় রাস্তাঘাট ও কলকারখানায় মানুষের ব্যস্ততা কমে গেছে। ফলে কার্বন নিঃসরণ কমেছে ব্যাপক হারে। বিশেষ করে বিশ্বের অন্যতম দূষিত বায়ুর দেশ ও কার্বন নিঃসরণকারী চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের বায়ুর মানে ব্যতিক্রমী উন্নতি ঘটেছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রভাবে চীনের বায়ুদূষণ নাটকীয় পর্যায়ে কমে গেছে। চীনের অত্যাধিক ভাইরাস সংক্রমিত এলাকাগুলোতে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে গেছে আশ্চর্যজনক হারে। সাধারণত কল-কারখানা ও গাড়ির ধোঁয়া থেকেই বিষাক্ত এ গ্যাস নির্গত হয়।

করোনাভাইরাস মহামারী হিসেবে আবির্ভূত হলেও বিশ্বের উপকারও হচ্ছে। কমেছে দূষণ, হ্রাস পেয়েছে পৃথিবীর কার্বন নিঃসরণ মাত্রা। করোনার প্রাদুর্ভাবের পর দেশে দেশে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। চীনের অত্যাধিক ভাইরাস সংক্রমিত এলাকাগুলোয় নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ কমে গেছে আশ্চর্যজনক হারে।
সাধারণত কারখানা ও গাড়ির ধোঁয়া থেকেই বিষাক্ত এ গ্যাস নির্গত হয়। করোনা সংক্রমণের কারণে চীনে সিংহভাগ কলকারখানা দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পাশাপাশি বেশকিছু শহরে গাড়ি চলাচল নিষিদ্ধ হওয়ায় এর সুপ্রভাব পড়েছে প্রাকৃতিক পরিবেশে।

চীন, ইটালী বা ব্রিটেনের আকাশে অবিশ্বাস্য গতিতে কমছে নাট্রোজেন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড আর কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রা। আর এর ফলে দল বেঁধে ফিরে আসছে পাখির দল। সভ্যতা থেকে দূরে সরে যাওয়া নিরীহ ডলফিনের ঝাঁক ফিরে আসছে মানুষের কাছে!

ক্ষুদ্র এক ভাইরাস গোটা দুনিয়ার চিত্র পাল্টে দিচ্ছে। আমাদের মানসিকতা ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের ফলে সীমান্তের কাটা তার ভুলে গিয়ে গোটা পৃথিবী দাঁড়িয়েছে এক আকাশের নীচে। সবাই অজানা অচেনা প্রতিপক্ষ করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে।

আমরা আমাদের ইমিউন সিস্টেমের কথা জানলেও পৃথিবীর ইমিউন সিস্টেমের কথা কখনো ভাবিনি। করোনা-বিপর্যস্ত মানুষ, দফায় দফায় ঘরবন্দী থাকায় পৃথিবীর দূষণ আরো কমবে। এর ফলে কমবে ক্যানসার, কিডনী, শ্বাসযন্ত্র ও অন্যান্য দূষণজনিত রোগ। আগামীর নতুন পৃথিবীতে নতুনভাবে নামবে মানুষ, ভাঙাচোরা অর্থনীতি, থমকে যাওয়া শিল্প, আমূল বদলে যাওয়া জীবনকে নতুন করে বাঁধতে।