fbpx

প্রথম প্রান্তিকে চাহিদার সঙ্গে ১৩% রাজস্বও বেড়েছে শাওমির

Xiaomi stands with Bangladesh in the fight against COVID-19 2

শাওমি কর্পোরেশন বুধবার জানিয়েছে, চলতি বছর প্রথম প্রান্তিকে তাদের রাজস্ব ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্মার্টফোনের সরবরাহ কমে গেলেও চীনে তাদের সরবরাহ ব্যবস্থা অনেকটা ভালো থাকায় এই রাজস্ব করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠানটি। বেশি দামের ফাইভজি নির্ভর ফোন বেশি বিক্রি করায় শাওমির রাজস্ব এতো বেড়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, চীনে তাদের প্রধান উৎপাদন ব্যবস্থা বৃহৎ পরিসরে স্থগিত হয়ে ছিল। কিন্তু স্মার্টফোনের চাহিদা খুব বেড়ে যাওয়ায় প্রথম প্রান্তিকে এমন অবস্থায় দাড়ানো গেছে।

প্রথম প্রান্তিকে প্রতিষ্ঠানটি ৪৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন চীনা ইয়েন আয় করেছে। যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৪৩ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ইয়েন। তবে প্রথম প্রান্তিকে মুনাফা ৩২ দশমিক ৩ শতাংশ বা ২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ইয়েন কমে গেছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল আয় হয় তাদের স্মার্টফোন বিক্রি থেকে। তবে এর পাশাপাশি এখন কিছু কনজ্যুমার পণ্য এবং অনলাইনে বিজ্ঞাপন বিক্রি করেও আয় করে।

অবশ্য গত কয়েক বছর চীনে বড় ধরনের স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীতায় পড়েছে শাওমি। সেখানে হুয়াওয়ে এবং অণ্যান্য কিছু ব্র্যান্ড এখন ভালো করতে শুরু করায় তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে নতুন নতুন সব উদ্ভাবন আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে শাওমি।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিস জানাচ্ছে, প্রথম প্রান্তিকে চীনে স্মার্টফোনের বিক্রি ১৮ শতাংশ কমে গেছে।

তবে দেশে লকডাউন শিথিল হওয়ায় পর শাওমি পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তাদের বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে।

শাপাশি এখন কিছু কনজ্যুমার পণ্য এবং অনলাইনে বিজ্ঞাপন বিক্রি করেও আয় করে।
অবশ্য গত কয়েক বছর চীনে বড় ধরনের স্থানীয় প্রতিদ্বন্দ্বীতায় পড়েছে শাওমি। সেখানে হুয়াওয়ে এবং অণ্যান্য কিছু ব্র্যান্ড এখন ভালো করতে শুরু করায় তাদের সঙ্গে পাল্লা দিতে নতুন নতুন সব উদ্ভাবন আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে শাওমি।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যানালিস জানাচ্ছে, প্রথম প্রান্তিকে চীনে স্মার্টফোনের বিক্রি ১৮ শতাংশ কমে গেছে। তবে দেশে লকডাউন শিথিল হওয়ায় পর শাওমি পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তাদের বিক্রির পরিমাণ বাড়াতে।